টাঙ্গাইলের নাগরপুরে একটি ব্রিজ অভাবে নাগরপুর- সলিমাবাদ- চৌহালীর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন প্রায়

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে একটি ব্রিজ অভাবে নাগরপুর- সলিমাবাদ- চৌহালীর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন প্রায়

জাসিউর রহমান ,টাঙ্গাইল থেকে :

টাঙ্গাইল জেলার নারগপুর উপজেলাধীন কাঠুরী চৌরাস্তায়  একটি ব্রিজের অভাবে কয়েকটি গ্রামের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন প্রায়।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, একটি ব্রীজের অভাবে নাগরপুর- সলিমাবাদ- চৌহালীর সাথে যোগাযোগ বিছিন্ন প্রায়। UZHQ- সলিমাবাদ RHD রাস্তায় ৫৪ মি: চেইনইনএজ ১৫ মি: দীর্ঘ আরসিসি গাডার ব্রীজটির প্রক্কলিত মূল্য ১ কোটি, ৩১ লাখ, ৮৪ হাজার, ৫ শত, ৬৪ টাকা। কিন্ত চুক্তি মূল্য ১ কোটি, ৭ লাখ, ২৭ হাজার, ৯ শত, ৫৭ টাকা, ৯৬ পয়সা ধার্য্য করে টাঙ্গাইলের আমঘাট রোডের মেসার্স আলিফ এন্টারপ্রাইজ গত ১৫ নভেম্বর ২০২০ সালে কাজটি শেষ করার চুক্তিতে  গত ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে শুরু করে । টাঙ্গাইল- ৬ আসনের সাংসদ আহসানুল ইসলাম টিটু, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ তা অনুষ্ঠানিক ভাবে ব্রীজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে নির্মান কাজের শুভ  উদ্ভোধন করেন।

এলাকাবাসী সূত্রে জানাযায়, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটি কাজটি পেয়েই খালের উপর কোন ডাইভারশন সড়ক নির্মান না করেই, ঐ স্থানের পুরাতন ব্রিজটি ভেঙ্গে বিক্রি করে দেয়। এলাকাবাসীর চাপের মুখে তারা কিছু মাটি ফেলে চলে যায়। এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা আবু বকর বলেন, আমরা অসুস্থ রোগী নিয়ে সব সময় চিন্তায় থাকি। বিকল্প রাস্তা না করেই পুরাতন ব্রিজটি ভেঙ্গে ফেলায়, আমরা চরম ভোগান্তির মধ্যে আছি। এই সমস্যা থেকে পরিত্রান চাই আমরা। অপরদিকে পথচারী জুয়েল বলেন, কাজটির আগামী ২ মাসে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এখনো শুরুই হয়নি। তার উপর কোন বিকল্প রাস্তা নেই, ফলে সময়, টাকা, পরিশ্রম দুইগুনেরও বেশি লাগছে। পরিবহন শ্রমিকরা সকলে এক বাক্যে বলেন, ব্রিজটির কাজ শেষ না হওয়া এবং ডাইভারসন সড়ক না থাকায়, আমাদের আয় কমে গেছে, যাত্রীদের খরচ বেড়েছে। মালামাল, রোগী নিয়ে বিরম্বনার শেষ নেই। দ্রুত ডাইভারশন করে যথা সময়ে ব্রিজের কাজটি শেষ হলে সকলের মঙ্গল হয়। টাঙ্গাইলের আমঘাট রোডের মেসার্স আলিফ এন্টারপ্রাইজের মিন্টুর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, বিদ্যুতের খুটি সরাতেই আমাদের ৩ মাস সময় লেগেছে। আমরা ডাইভারশন করার জন্য মাটি ফেলে ছিলাম কিন্তু বন্যায় ক্ষতি হয়েছে। গত ১ বছর সময়ে এর বাইরে তাদের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি আর কোন কাজ করেছে বলে তিনি উল্লেখ করতে পারেননি।

এ বিষয় নাগরপুর উপজেলার এলজিইডি (SO) মো. ময়নুল এর সাথে কথা বলে জানা যায়, কাজ চলাকালীন সময়ের জন্য একটি ৪০ মিটার ইট সোলিং এর ডাইভারসন তৈরী করে কাজটি শুরু করার কথা থাকলেও সরেজমিনে গিয়ে বাঁশের সাকো ছাড়া কিছুই দৃশ্যমান হয়নি। উলেখ্য, এলাকাবাসী ও ভাড়ায় চালিত মোরসাইকেলের চালকেরা চাঁদা উঠিয়ে সাকোটি নির্মান করেছে বলে জানান তিনি।।এছারাও নাগরপুর উপজেলা এলজিইডি প্রোকৌশলী মাহাবুব বলেন, আমরা ঠিকাদারকে কাজটি দ্রুত শেষ করার জন্য চাপ দিচ্ছি। বর্তমানে বন্যার কারনে পাইলিং করা সম্ভব হচ্ছেনা। তাছাড়াও বন্যার আগে নির্ধারিত পাথর না পাওয়া এবং যথা সময়ে পাইলিং করতে না পারায়, কাজটি পিছিয়ে গেছে। তবে, আশাকরি দ্রুতই কাজটি শেষ হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazartvsite-01713478536